এমআরপির থেকেও দ্বিগুণ দামে কিনতে হচ্ছে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য

Howrah & Hooghly West Bengal

সায়ন্তন টাট,জাঙ্গিপাড়া : একদিকে করোনা আতঙ্ক তো অন্যদিকে অর্থনৈতিক বিপর্যয়ে সাধারণ মানুষের জীবন ও জীবিকা এক সংকটজনক পরিস্থিতিতে উপস্থিত হয়েছে । আর এই পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে কিছু অসাধু ব্যবসায়ীগন নিজেদের মুনাফা দ্বিগুণ করার জন্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের মূল্যবৃদ্ধি করে নিজেদের পকেট ভর্তি করছে । পেট্রোল ডিজেলের মূল্য বৃদ্ধিতে সাধারণ পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি সাধারন ব্যাপার কিন্তু বর্তমানে সেই মূল্যবৃদ্ধি ম্যাক্সিমাম রিটেল প্রাইস অর্থাৎ সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য কেও ছাপিয়ে গেছে । আবার কোন কোন ক্ষেত্রে পন্য প্রস্তুতকারক সংস্থা এমআরপি তে কোন দামি উল্লেখ করেন না । এমনিতেই এমআরপি বা ম্যাক্সিমাম রিটেল প্রাইস সমালোচনার যোগ্য একটি বিষয় কারণ প্রস্তুতকারকই ঠিক করে একটি পন্যের সর্বোচ্চ দাম কি হওয়া উচিত , তাই এখানে স্বেচ্ছাচারিতার বিষয় থেকেই যায় । আর অন্যদিকে এই এমআরপি বা সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য সাধারণত মার্কেট অপারেটিভ প্রাইস ( এমওপি ) বা বাজার চলতি মূল্য অপেক্ষা অনেক বেশি থাকে । সুতরাং খুচরা বিক্রেতার কাছে লাভের যথেষ্ট সুযোগ থাকে ।
লকডাউন পর্বে এমনিতেই জোগানের ঘাটতি দেখিয়ে বেশিরভাগ ব্যবসায়ীই পন্যের এমআরপি অনুযায়ী দাম নিয়েছেন । কিন্তু বর্তমানে আনলকডাউন পর্বেও মানুষের অসহায়তার সুযোগ নিয়ে যেভাবে এমআরপির ও অধিক মূল্য নেওয়া হচ্ছে তাতে মানুষের পেটে এবং পকেটে ভাটার সৃষ্টি হয়েছে । যদি মানবিক মূল্যবোধের কথা বাদ দিই তাহলেও এমআরটিপি অ্যাক্ট , এসেনসিয়াল কমোডিটিস অ্যাক্ট এবং কনজিউমার প্রটেকশন অ্যাক্ট এর দরুন এমআরপির অধিক মূল্য নেওয়া দণ্ডনীয় অপরাধ । তাই অসাধু ব্যবসায়ীদের কাছে আমার একান্ত অনুরোধ শুধরে যান , নয়ত আইন শুধরে দেবে ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *