নেপোটিজম নয় বরং বলিউডের জমি ধরে রাখতে গেলে নিজের যোগ্যতা টাই আবশ্যক ! বললেন সোনাক্ষী সিনহা ।

Entertaiment

মুম্বাই, রাহুল শর্মা : বলিউডের নেপোটিজম নিয়ে নতুন কিছু বলার নেই কমবেশি এখন সবাই নেপোটিজম সম্পর্কে অবগত হয়েছেন। সুসান সিং রাজপুত এর মৃত্যুর পর থেকে বলিউডে পরিবারিক রাজত্ব শেষের পথে। স্বজনপোষণ নীতির জন্যই আমজনতা বলিউডকে বর্জন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এই কিছুদিন আগেই যেমন মহেশ ভাটের সিনেমা টেলারের আনলাইক দিয়েছেন তাতে জনগণের ক্ষোভ দেখার মত ছিল। বলিউডের স্বজনপোষণ নীতির তীব্র বিরোধী প্রথম থেকেই ছিলেন কঙ্গনা রানাওয়াত , কারণ জোহার এর মত বড় বড় সিনেমা পরিচালক প্রযোজকদের বলিউড মাফিয়ার তকমা দিয়েছেন কঙ্গানা। এই দিন কঙ্গনা নাম না নিয়েই তাকে বিঁধলেন শত্রুঘ্ন কন্যা সোনাক্ষী সিনহা । কঙ্গনার দিদি বহুদিন ধরেই স্বজনপোষণের তীব্র বিরোধী হয়ে এসেছেন তাই দিদি এবং বোন দু’জন এর তীব্র সমালোচনা করলেন সোনাক্ষী। সোনাক্ষী বলেন যে বা যিনি এই নেপোটিজম নিয়ে চর্চা করছেন তার বোন সবথেকে বেশি কাজ পাচ্ছে। তবে নেপোটিজম থাকা সত্ত্বেও এটা কিভাবে সম্ভব? এই দিন তিনি এও বলেন শত্রুঘ্ন সিনহার মেয়ে হওয়ার সুবাদে তার ডিবেউ পেতে কোনো অসুবিধা হয়নি, কিন্তু বলিউডের জমিকে ধরে রাখতে গেলে নিজের যোগ্যতা এবং পরিশ্রমের আবশ্যক হয়। যদিও উনি স্বজনপোষণ এর জন্যই সিনেমায় সুযোগ পেয়েছে বলে অনেকে মনে করেন। সোনাক্ষী সেটা স্বীকার করে নিয়েছেন , কিন্তু তার সাথে এটাও বলেন “২০১০ সালে দাবাং’-এর প্রস্তাব পাই। এটা ঠিক সালমান খানের পরিবারের সঙ্গে আমাদের পরিচিতি এই সুযোগ এনে দিয়েছিল। উনাদের মনে হয়েছিল আমাকে ওই চরিত্রটা দেয়া যেতে পারে । কিন্তু প্রথম সিনেমার পর থেকে আমাকে নিজেকেই কঠোর পরিশ্রম করতে হয়েছে”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *